অনেক রকম অদ্ভুত ......
বাড়ীতে কিছু কিছু অদ্ভুত জিনিস দেখে দেখে বড় হয়েছিলাম ।সেগুলো দেখে কখনই কোন ভাবান্তর হয়েছে বলে মনে পড়েনা । যেমন অনেক দিন ধরে কোন পুরন আসবাব এক জায়গায় থাকলে সেটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাইনা, সেইরকম ।
আমাদের দোতলার কলঘরের জানলায় একটা মানুষের মাথার আস্ত খুলি ওপরের চোয়ালের দাঁত সমেতরাখা ছিল অনেকদিন পর্যন্ত । ,ওটা আমার এক জ্যাঠামশাইয়ের সংগ্রহ কাউকে ভয় দেখনর জন্যে , ওটার চোখে ব্যাটারি দিয়ে আলো লাগান হয়েছিল শুনেছি । আমাদের কোন রকম বিকার ছিলনা ,দিব্যি যাওয়া আসা করতাম। আমাদের ডিসপেনসারি আর বাড়ির মাঝখানে একটা দরজা ছিল ওটা খোলাই থাকতো সবসময় ডিসপেনসারিতে ঢুকেই একটা শোকেশের ওপরে একটা বড় কাচের জারের মধ্যে একটা অপুষ্ট ,অপরিণত মানব ভ্রূণ chemical e ডোবান ।আমরা দুপুরবেলা, বিশ্রামের জন্য বাড়ির সবাই ওপরে চলে গেলে ফাঁকা ডিসপেনসারি তে ঢুকে হলদে টিনের কৌটো থেকে glucose খেতাম ,কিছু মনেই হতনা ও একটু ঘাড় বেঁকিয়ে বসে থাকতো ।
আমরা এর মধ্যেই বড় হয়েছি ,আমার মার কিন্তুঅনেকদিন মামারবাড়িতে কাটিয়ে বাড়ি ফিরতে খুব খারাপ লাগত । মা বলত জন্তু জানয়ার এর গন্ধে মার অসুবিধে হত ।বাড়িতে ঢূকেই বাইরের উঠনে পায়রাদের ঘর। কাঠের কাঠামোয় জাল দিয়ে ঘেরা বেশ বড় ঘর একটা । ,ওটা ছিল আমাদের সব চাইতে বড় জ্যাঠামশাএর সম্পত্তি ,অনেক রকম পায়রা ছিল ,আমাদের শোবার
ঘরের পেছনের বারান্দা ছিল ওই উঠোনের দিকে, মাঝে মাঝে জ্যাঠামনি আমাদের ঘরের দিকে মুখ তুলে আমদের দুই বোনের নাম ধরে ডাকতেন আর আমরা দুড়দাড় করে নেমে আসতাম , পায়রার ডিম সেদ্ধ খেতে। । পায়রার ডিম সেদ্ধ হলে আমরা খেতাম আর পায়রার খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হত ,ওদের পুষ্টি হবে বলে । পায়রার ডিম খেতে মুরগীর ডিমের মতই , দেখতে একটু অন্যরকম সাদা অংশটা স্বচ্ছ ।
arre.... blog shuru korechho to!!! great...
ReplyDelete